নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাতসকালে কলকাতায় ইডি-র (Enforcement Directorate) বিশাল তৎপরতা। বালি পাচার মামলার তদন্তে এবার সরাসরি কলকাতা পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বালি পাচার মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু এবং তাঁর দুই ছেলেকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অন্যদিকে, বেহালার এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীকে দীর্ঘ সময় জেরার পর গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ইডির স্ক্যানারে পুলিশ আধিকারিক ও তাঁর পরিবার
দীর্ঘদিন ধরেই বালি পাচারের একটি বড় চক্রের সন্ধানে ছিল ইডি। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনুর সাথে এই চক্রের আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আজই তাঁকে এবং তাঁর দুই ছেলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, তাঁদের বয়ান রেকর্ড করার পর তদন্তের গতিপ্রকৃতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে।
বেহালায় ৫ ঘণ্টা জেরা ও গ্রেপ্তার
আজ সকালেই বেহালা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় ইডি-র একটি দল। সূত্রের খবর, দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নেন গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে, যা বালি পাচার মামলার রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলে শোরগোল
বিধানসভা নির্বাচনের আবহে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তার তলব এবং ব্যবসায়ীর গ্রেপ্তারিতে স্বভাবতই রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। বিরোধীদের দাবি, প্রশাসনের একাংশের মদত ছাড়া এই পাচার চক্র চালানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে শাসক দল পুরো বিষয়টি আইন ও তদন্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।
বালি পাচার মামলা এবং ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে নজর রাখুন Demand Media-তে।
